শীতে খুশকি তাড়ান নিমিষেই

buy modafinil amazon

important source শীত এসে গেছে। যাদের খুশকির সমস্যা আছে তাদের জন্য এই আবহাওয়া রীতিমতো ভয়ঙ্কর। শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় খুশকির সমস্যা বাড়ে। সাধারণত, মাথার ত্বকে নতুন কোষ তৈরি হয় ও পুরনো কোষ ঝরে পড়ে। কিন্তু এই প্রক্রিয়া ঠিক মতো না হলে তখনই দেখা দেয় খুশকি।পুরনো কোষ না ঝরতে পারলে সেগুলো মাথার মধ্যেই জমে থাকে এবং তা থেকে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ দেখা যায়। সেই কোষগুলোই গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে মাথার চুলে মিশে থাকলে তাদেরই খুশকি বলা হয়।কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি জানলে সহজেই এই খুশকির হাত থেকে বাঁচা যায়। হাতের কাছেই মজুত বেশ কিছু ঘরোয়া জিনিসের উপর ভিত্তি করেই এই সমস্যা দূর করা যায়।* মেথি বাটা, আমলকীর রস, ডিম ও টক দই একসঙ্গে পানির সঙ্গে ফেটিয়ে মাথায় মাখুন। সপ্তাহে দু’-তিন দিন এই প্যাক লাগিয়ে আধ ঘণ্টা রেখে দিন। তার পর তা ধুয়ে ফেলুন। খুশকি তো দূর হবেই চুলও হবে ঝলমলে।

* গোসলের সময় উষ্ণ পানিতে লেবুর রস মেশান। লেবুর অ্যাসিড জলে মিশে চুলের রন্ধ্রে প্রবেশ করলে তা খুশকি কমায়।* পানিতে তেঁতুল গুলে নিন। এ বার তা মাথার গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ রাখার পর ধুয়ে ফেলুন। সহজেই সারবে খুশকির সমস্যা।* জবা ফুলের রস, আমলকীর রস এ সব চুলের পক্ষে খুব ভাল। চুলের ত্বককে আর্দ্র করার পাশাপাশি চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে ও চুল ঘন করতেও কাজে আসে এ সব। জবা ফুল ও আমলকি একসঙ্গে বেটে লাগান চুলে! ঝগড়া না হলে সেটা কোন সম্পর্কই নয়। ছোট ঝগড়াও হতে পারে আবার বড় রকমের ঝগড়াও হতে পারে। এটাই সম্পর্কের নিয়ম। দু’জনের মধ্যে ঝগড়া হবে আবার মিটে যাবে। কিন্তু ঝগড়ার পরও যদি সেই বিষয় নিয়ে নাড়াচাড়া করেন তাহলে সম্পর্কবিচ্ছেদের মত ঘটনাও ঘটতে পারে। সুতরাং ঝগড়া হওয়ার পর এমন কিছু করবেন না যা সমস্যার শুধু জন্ম হতেই থাকে।

তবে ঝগড়ার পর কি কি করা উচিত নয় তা জেনে নিন-১) অনেকেই আছেন যারা একবার ঝগড়া হলে সেটা সহজে ভুলতে পারেন না। আর ভুলতে পারে না বলে ওই ঝগড়ার বিষয় নিয়ে সম্পর্ক অনেকদিন পর্যন্ত অবনতি থাকে। এটা খুবই খারাপ অভ্যাস। এতে সঙ্গী অস্বস্তিবোধ করে। তাই ঝগড়ার বিষয়টি যত দ্রুত ভুলে যাবেন ততই আপনার জন্য মঙ্গল।২) দেখা যায়, ঝগড়া শেষ হওয়ার পর দু’জনের মাথা ঠাণ্ডা হয়ে গেছে, ঠিক এই সময়ে দু’জনের কেউ একজন যদি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করে, তাহলে আবার ঝগড়া লাগার সম্ভাবনা থাকবে। তাই এই ভুল কখনই করা যাবে না। যে বিষয়ে ঝগড়া হয়ে গেছে, সেই বিষয় আর না তোলাই ভালো। তা না হলে ঝগড়া কোনোভাবেই শেষ হবে না।৩) ঝগড়া হলে কোনোভাবেই একে অন্যের কাছে দম্পতিরা ক্ষমা চাইতে রাজি হন না। তারা একজন আরেকজনের কাছে ছোট হতে চান না। এই সমস্যাই ঝগড়া জমিয়ে রাখে। তাই দুঃখিত বলে ক্ষমা চেয়ে নিন, দেখবেন এতে সঙ্গীর মনে বিনয়ী সৃষ্টি হবে এবং সেও তার ভুল বুঝতে চেষ্টা করবে।৪) ঝগড়া হলে ডিভোর্সের কথা ভুলেও ভাববেন না। মনে রাখবেন, সামান্য ঝগড়া আপনাদের বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে না। তাই ঝগড়ার পর এ ধরনের কথা না বলাই ভালো।৫) নিজেদের ঝগড়ার কথা সবাইকে বলে বেড়াবেন না। পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবকে ঝগড়ার কথা বললে এটি আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই ঝগড়ার কথা কারো কাছে প্রকাশ করবেন না।৬) ঝগড়া হলে রাগ উঠবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এই রাগ বেশিক্ষণ জমিয়ে রাখবেন না। এতে সম্পর্কে তিক্ততা চলে আসবে। মনে মনে ভাবুন, যে মানুষটির ওপর আপনি রাগ করে বসে আছেন, তাকে আপনি কতটা ভালোবাসেন। দেখবেন, রাগ দূর হবে এবং সমস্যাও দূর হয়ে যাবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*