লক্ষ্মীপুরে অদ্ভুত ডাক্তারের রেট ১৫০০ টাকা!

buy viagra soft tabs online

where can i buy clomid online in australia তিনি ডাক্তার নন, নেই ডাক্তারী সনদপত্র, লক্ষ্মীপুর গণকল্যাণ প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রে গাজী জাহাঙ্গির হোসেন নামে এক ব্যক্তি ডাক্তার সেজেই দিচ্ছেন চক্ষু চিকিৎসা। ওই চিকিৎসা কেন্দ্রে ত্রিশ টাকার বিনিময়ে চিকিৎসা সেবার বিধান থাকলেও তিনি প্রতারনার মাধ্যমে রোগীর কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন ১৫শ থেকে তিন হাজার টাকা।জানা যায়, ঢাকাস্থ গণ কল্যাণ মেডিকেল ফাউন্ডেশন নামে একটি সংস্থা হতদরিদ্রদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে লক্ষ্মীপুরের হাসপাতাল রোডস্থ নিউ আধুনিক হাসপাতাল সংলগ্নে গণ কল্যাণ প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র নামে শাখা খোলা হয়।এতে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চক্ষু রুগিদের ত্রিশ টাকার বিনিময়ে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ দেওয়া হয়। এতে কো-অর্ডিনেটর’র দায়িত্বে রয়েছেন গাজী জাহাঙ্গির হোসেন। কিন্তু তিনি নিজেই ডাক্তার সেজে রোগিদের দিচ্ছেন চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র। চক্ষু অপরেশনের নামে প্রতারণা করে রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের টাকা।এদিকে বুধবার (২১ নভেম্বর) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার টুমচর এলাকার ৫ বছর বয়সী কণ্যাশিশু মামুনা’র চোখে ধান পড়ে সমস্যা দেখা দিলে গণকল্যাণ চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে আসেন মা নাজমা বেগম। এসময় গাজী জাহাঙ্গির চিকিৎস্যা কেন্দ্রে বসে অপরেশনের বিভিন্ন নাটক সাজায়। এক পযায়ে ব্যবস্থাপত্র ধরি দিয়ে তাদের কাছ থেকে ১৫শ টাকা হাতিয়ে নেন।

ভূক্তভোগী নাজমা বেগম বলেন, সামান্য চোখের ভিতরে লাল দেখা দিলে ওই চিকিৎসা কেন্দ্রে নি। কিন্তু ডাক্তার বিভিন্ন অপরেশনের কথা বলে ১৫শ টাকা নেয়। মেয়ের চোখের কথা চিন্তা করেই বাধ্য হয়েই টাকার বিনিময়ে চিকিৎসা সেই। কিন্তু ওইখান থেকে কোন ঔষধই দেয়নি।ভূক্তভোগী ও স্থানীয়রা অভিয়োগ করে বলেন, জাহাঙ্গির চক্ষু ডাক্তার নন, তার কোন ডাক্তারি সনদপত্রও নেই। ওই চিকিৎসা কেন্দ্রকে ব্যক্তিগত চেম্বার বানিয়ে তিনি রোগী দেখেন গভীর রাত পর্যন্ত। আর এ সময় রোগীদের দূর্বলতার সুযোগে চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্যবস্থাপত্র ব্যবহার করেই প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেন হাজার হাজার টাকা। স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তার এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউই কিছু বলে না।অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ স্বীকার করে দাপট দেখিয়ে গাজী জাহাঙ্গির বলেন, ২টার পরে চিকিৎসা নিতে আসলে টাকাপয়সা দিতে হবে। নিজের ডাক্তারি কোন সনদ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্যারামেডিকেল কোস করেছি। আর সনদ দেখিয়ে কি হবে। আপনি যা করার করেন। এতে কিছু যায় আসে না। আমার সাথে এ শহরের নামি-দামি কর্তাব্যক্তি সবার সম্পর্ক আছে।তবে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করেও লক্ষ্মীপুর সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা খালেদ আহমেদ বলেন, প্যারামেডিকেল কোর্স করা কেউ ডাক্তার পরিচয় দিতে পারবে না। ব্যবস্থাপত্রও লিখারও অনুমোতি নেই। এটা প্রতারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। খোজ খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শাহজাহান আলী বলেন, ত্রিশ টাকা চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়ের বিষয়টি দূঃখজনক। খোজ খবর নিয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লেট’স টকে দেশ ও জনগণকে নিয়ে তরুণদের স্বপ্ন ও পরিকল্পনার কথা শুনেছেন এবং নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এতে তার ব্যক্তিগত জীবন, শৈশব, তারুণ্য, রাজনৈতিক সংগ্রাম, পারিবারিক ট্র্যাজেডি, দেশকে নিয়ে নিজের কাজ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও উঠে আসে এ অনুষ্ঠানে।শুক্রবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে এ লেট’স টক অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লেট’ট টকে বহুবার তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে কথা বললেও এই প্রথম তরুণদের মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের ইতিহাসেও প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মুখোমুখি হলেন।গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) আয়োজিত ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা, তরুণ পেশাজীবী, অ্যাথলেটস, খেলোয়াড়, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ দেড়শ’র মতো তরুণ অংশ নেন।প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার লেটস টক আয়োজন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আয়োজন করা হল ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা।সারাদেশ থেকে আসা ১৫০ অংশগ্রহণকারী তরুণের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘প্রথমবারের মতো’ প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মুখোমুখি হয়ে তাদের বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন।তরুণদেরও বেশ কিছু প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে বর্তমান প্রজন্মের অনুপ্রেরণা প্রধানমন্ত্রী তার কৈশোর ও তারুণ্যের সময়ে ঘটে যাওয়া অজানা অনেক তথ্য তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীদের কাছে। এ ছাড়াও ব্যস্ততার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন, নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা নিয়েও তরুণদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।একটি রাজনৈতিক পরিবারে বড় হওয়া শেখ হাসিনার কৈশোর এবং তারুণ্য কি অন্যদের চেয়ে আলাদা ছিল? কি রকম দুরন্ত সময় পার করেছেন তিনি? এমন অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মেলে এখানে। এ ছাড়াও কৈশোর ও তারুণ্যে রাজনীতিতে যোগদান, স্কুলের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনে যোগদান, মুক্তিযুদ্ধকালে তার অবরুদ্ধ জীবন, ৭৫ সালে দেশের বাহিরে তার পরিবারের কঠিন জীবনযাপন, ১৯৮০ সালে লন্ডনে যাওয়া, রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের অনুপ্রেরণা, দেশের মানুষের কাছে ফিরে আসা এমন আরও অনেক বিষয়ে অজানা তথ্য তরুণদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।তরুণদের কাছ থেকে আসা এমন আরও সব আকর্ষণীয় প্রশ্ন ও তার উত্তর নিয়ে অপেক্ষা করছে ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় তা প্রচার হবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*